১ ম্যাচ খেলেই যত টাকা পেলো আশরাফুল

ডিপিএলের টি-টোয়েন্টির সুপার লিগে মোহাম্মদ আশরাফুলের অপরাজিত ৪৮ বলে ৭২ রানের সুবাধে আবাহনী লিমিটেডকে হারিয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। ব্যাট হাতে সাফল্যের রহস্য জানালেন আশরাফুল। তরুণদের সামনে নিজেকে প্রমাণের তাড়না থেকেই এমন ইনিংস তাঁর।

পুরো ডিপিএলে ব্যাট হাতে তেমন ছন্দে ছিলেন না আশরাফুল। শেখ জামালের এবারের ডিপিএল জেতার সম্ভবনা না থাকলেও বৃহস্পতিবার মিরপুরে পুরনো আশরাফুলকে দেখতে পেয়েছে বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকরা। শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে ম্যাচ জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন এ অভিজ্ঞ ক্রিকেটার।

৭২ রানের অপরাজিত ইনিংসের পেছনের মূল পরিকল্পনা জানালেন আশরাফুল। “নিজের প্রতি বিশ্বাস ছিল যে আমি অতীতেও করেছি। আজকেও ঐটাই করার চেষ্টা করেছি। কারণ আবাহনী খুবই ভালো একটা দল। ওদের দল বলেন বা ব্যাটিং বলেন কিংবা বোলিং। আবাহনীতে যারা খেলছেন সবাই তরুণ ছিল আমি যখন খেলা শুরু করেছিলাম।

জাতীয় দলে ওদের সঙ্গে হয়ত খেলা হয়নি। ঐটাই প্ল্যান ছিল যে ওদের সামনে যদি ভালো খেলতে পারি… আগে গল্প শুনত সেটা যেন আজকে দেখাতে পারি।” আশরাফুলের ঝড়ের আগে মিরপুরে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন লিটন। ৫১ বলে ৭০ রানের ইনিংসে শেখ জামালকে বড় লক্ষ্য ছুড়ে দেয় আবাহনী।

দলীয় ১২ রানে দুটি উইকেট পড়লে নাসিরের সঙ্গে ৫৮ রানের জুটি গড়েন আশরাফুল। মূলত সেখান থেকেই জয়ের আশা তৈরি হয় শেখ জামালের। আশরাফুল জানালের ঐ সময়ে মাঠে কী পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। “নাসিরের সঙ্গে যখন ব্যাটিং করছিলাম তখন একটি কথাই বলেছিলাম- দেখ, আমরা দু’জনেই বাইরের। আমরা আমাদের স্বভাবজাত ক্রিকেটটা খেলি।

উইকেট আসলে ভালো ছিল। প্ল্যান একটাই ছিল- বল দেখব আর মারব। যেখানেই গ্যাপ, ওইখানেই মারব- এমন পরিকল্পনাই ছিল।” ডিপিএলে রান পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি আশরাফুল। আবাহনীর বিপক্ষের জয়ের পর তিনি জানালেন, আগে ম্যাচের পরিস্থিতির দাবি মেটাতেই ব্যাটিং করেছেন।

তবে উইকেট যে সহজ ছিল না সেটাও জানালেন তিনি। “এরকম আমি মনে করি না। উইকেটগুলো বুঝতে হবে। আগের উইকেটগুলোতে শট খেলার জন্য সহজ ছিল না। আপনি যদি ওভারঅল সব খেলা ফলো করেন- দেখবেন, ১৩৫-১৩৬ করতে শেষ ওভার পর্যন্ত গিয়েছে। সে জায়গা থেকে যদি বলি ম্যাচের পরিস্থিতি বিবেচনা করেই খেলেছি।

হ্যাঁ, বড় ইনিংস খেলতে পারিনি। অনেকগুলো ম্যাচে আমি ভালো শুরু পেয়েছি কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারিনি। এতদিন সেটাই মিসিং ছিল।” ম্যাচ শেষে আশরাফুল তার দূর্দান্ত ব্যাটিং পারফর্ম্যান্সের জন্য ম্যান অফ দ্য ম্যাচ টাইটেল জিতেন। সাথে সাথে পুরষ্কার হিসেবে পান ১০ হাজার টাকার প্রাইজ মানি।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*