১৩৩ আরোহী নিয়ে প্লেন বিধ্বস্ত

চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ১৩৩ জন আরোহী নিয়ে একটি প্লেন বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে এতে কতজনের প্রাণহানি হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সোমবার (২১ মার্চ) দুপুরে এ দুর্ঘটনার খবর জানায় ফরাসি সংবাদমাধ্যম এএফপি।

চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির খবরে বলা হয়, বোয়িং ৭৩৭ মডেলের প্লেনটি জুয়াংঝি অঞ্চলের উঝৌ শহরের কাছে একটি গ্রামীণ এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছে। এ কারণে সেখানকার পাহাড়েও আগুন ধরে গেছে। তবে দুর্ঘটনার পরই ঘটনাস্থলে ছুটে গেছে উদ্ধারকারী বাহিনী।

আরও পড়ুন: আত্মসমর্পণের রুশ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইউক্রেনের পরাজয় স্বীকার করে মারিউপোল শহরে থাকা ইউক্রেনের সেনাদের আত্মসমর্পণ করতে রাশিয়ার দেওয়া প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে কিয়েভ। স্থানীয় সময় সোমবার (২১ মার্চ) ভোর ৫টার মধ্যে ইউক্রেনীয় সেনাদের আত্মসমর্পণ করার প্রস্তাব দিয়েছিল রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সোমবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টার মধ্যে মারিউপোল শহরে মানবিক করিডোর চালু করতে চায়। এ জন্য কিয়েভের কাছ থেকে ভোর ৫টার মধ্যে আত্মসমর্পণের লিখিত সম্মতি চায় তারা। তবে মারিউপোলে রুশ সেনাদের কাছে আত্মসমর্পণের কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইরিনা ভেরেশচুক।

ইউক্রেনস্কা প্রাভদা নামে স্থানীয় একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইউক্রেনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইরিনা বলেন, ‘রুশ বাহিনী বেসামরিক লোকদের সরিয়ে নেওয়ার অনুমতি দেওয়ার আগে আমাদের সেনাদের আত্মসমর্পণ করতে হবে বলে দাবি করছে।’ বিষয়টিকে তিনি ‘জিম্মি করে দাবি আদায়’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

এদিকে ইউক্রেনের খারকিভসহ বিভিন্ন শহরে চলছে তীব্র লড়াই। রোববার (২০ মার্চ) জেলেনস্কি প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইউক্রেনের খারকিভ শহরে দেশটির সেনাবাহিনী ও রুশ বাহিনীর মধ্যে চলমান তীব্র লড়াইয়ের ভিডিও প্রকাশ করা হয়। ওই ভিডিওতে মলদোভা সীমান্তের কাছাকাছি রাশিয়ার ধ্বংসযজ্ঞের দৃশ্যও তুলে ধরা হয়।

একই দিন দোনবাস থেকে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে বিতাড়িত করার দাবি করে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। দফতরের মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, সেখানে সরকারি বাহিনীর কয়েকটি ট্যাংক, যুদ্ধযান ও মর্টার ধ্বংস করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই মারিউপোলে স্থানীয় সেনা সদস্যদের আত্মসমর্পণের জন্য পাঁচ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছিল রাশিয়া।

একই সঙ্গে শহরটিতে আটকে পড়া বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নিতে মানবিক করিডোর চালু রাখার কথাও জানায় মস্কো। এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে সাত হাজার মানুষ শহরটি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে গেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*