স্বামী বিদেশে ঘাম ঝরাচ্ছেন, দেশে পরকীয়ায় মত্ত স্ত্রী !

স্বামী বিদেশ গেছেন। সেখানে কঠোর পরিশ্রম করে, মাথার ঘাম পায়ে ফে’লে টাকা পাঠান স্ত্রীকে। এদিকে দেশে স্ত্রী প’রকী’য়ায় ম’ত্ত। এ ঘট’না হা’তেনা’তে ধরে ওই প্রবাসীর স্ত্রীকে পর’কী’য়া প্রে’মিকের সঙ্গে বিয়ে দিয়েছে। এমনই ঘ’টনা ঘ’টেছে ঢাকার ধামরাইয়ে।

স্বামী বিদেশ, আ’পত্তি’কর অব’স্থায় ধরা পর’কী’য়া প্রেমিকের সঙ্গে গৃহবধূর বিয়ে। ঢাকার ধামরাইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকা প্রথম স্বামীকে তা’লাক না দিয়েই প’রকী’য়া প্রে’মিকের সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ে দিয়েছেন গ্রামবাসী। শুক্রবার দুপুরে ওই প্রে’মিক যুগল একটি ক’ক্ষের ভেতর আ’প’ত্তিকর অব’স্থায় ধরা পড়লে গ্রামবাসী এ ঘট’নাটি ঘ’টায়।

গ্রামবাসী জানান, স্বামী বিদেশে স্ত্রী-সন্তানের জন্য শরীরের ঘাম ঝ’রাচ্ছেন আর এদিকে স্ত্রী প’রকী’য়ায় মত্ত হয়ে আন’ন্দ ফু’র্তিতে দিন কা’টাচ্ছে। তাই আমরা বিষয়টি সহজভাবে মেনে নিতে পারিনি। হা’তেনা’তে আ’পত্তিকর অবস্থায় তাদের আ’টক করে গ্রামবাসী মিলে ওদের বিয়ে প’ড়িয়ে দি’য়েছি।

ওই গৃহবধূর দুটি শিশুসন্তানও রয়েছে। ঘট’নাটি ঘ’টেছে উপ’জেলার সোমভাগ ইউনিয়নে। একসঙ্গে দুই স্বামী থাকার ঘট’নাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসী জানান, স্ত্রী ও তার দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ সুখের কথা ভেবে কয়েক বছর আগে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রবাসে চলে যান ওই গৃহবধূর স্বামী। এ সুযোগে একই গ্রামের শফিকুল ইসলাম সাবু (৪০) নামে বহু বিয়ে পাগল এক ব্যক্তির সঙ্গে পর’কী’য়া প্রে’মে জ’ড়িয়ে পড়েন ওই গৃহবধূ।

শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে ওই পর’কী’য়া প্রে’মিক শফিকুল ইসলাম সাবু ওই প্রবাসীর বাড়িতে যায়। এ সময় গ্রামবাসী প্রেমিক যুগলকে আ’পত্তি’কর অ’বস্থায় আ’টক করেন। এরপর তাদের মা’র’ধ’র করে পৌরশহরের ইসলামপুর মহল্লা মুসলিম ম্যারেজ রেজিস্ট্রার ও কাজী মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল আলীমকে ডেকে তাদের বিয়ে দেয়া হয় কাবিন রেজিস্ট্রি করে।

তবে রাষ্ট্র ও ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী পূর্বের স্বামীকে তালাক প্রদান না করেই দ্বিতীয় বিয়ের এ কাবিন রেজিস্ট্রি ও বিয়ে সম্পন্ন করা হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে পরকীয়া প্রেমিক শফিকুল ইসলাম ইসলাম সাবু প’রকী’য়া প্রে’ম ও দৈ’হি’ক মে’লামেশার কথা স্বীকার করলেও বিয়ের বিষয়ে তার অস’ম্মতির কথা জানান। তিনি বলেন, আমার ইচ্ছার বিরু’দ্ধে জোর করে বিয়ে দিয়েছেন গ্রামবাসী। এ বিয়ে আমি মানি না। আমি গ্রামবাসীর বিচার চাই।

ওই গৃহবধূ জানান, আমার প্রথম স্বামী বিদেশ যাওয়ার পর থেকেই শফিকুল ইসলাম আমার সঙ্গে প’রকী’য়া করে আ’সছে। তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে আমাকে বিয়ে না করে টা’লবা’হানা করে শুধু সম’য়ক্ষেপণ করতে থাকে। গ্রামবাসীর হাতে আ’টক না হলে সে আমাকে বিয়ে না করে শুধু আমার দে’হই ভো’গ করত। আল্লাহ যা করেন তা ভালোর জন্য করেন।

এ ব্যাপারে কাজী মাওলানা আব্দুল আলীম বলেন, আমাকে পূর্বের স্বামী থাকার কথা গোপন রেখে কাবিন রেজিস্ট্রি ও বিয়ে সম্পন্ন করেছেন গ্রামবাসী। এ বিয়ে বৈধ নয়। পূর্বের স্বামীকে তা’লাকের দিন থেকে ৩ মাস ১৩ দিন ই’দ্দত পালনের পর দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারে একজন স্ত্রী। এছাড়া যদি সে আগেই বিয়ে করে অথবা প্রথম স্বামীকে তা’লাক না দিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে তাহলে তা রাষ্ট্র ও মুসলিম পারিবারিক আইনবিরোধী। এক্ষেত্রে ঠিক তাই ঘটেছে।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*