শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একাই লড়ে গেলেন বার্নস

নেইল ওয়েগারকে মিডউইকেটের ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকালেন স্টুয়ার্ট ব্রড, পরের বলেই বোল্ড। ররি বার্নস তখন ব্যক্তিগত ৯১ রানে। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে উইকেটে এলেন জেমস অ্যান্ডারসন। বার্নসের সেঞ্চুরিটা কি হবে? যেমন খেলেছেন, তাতে সেঞ্চুরিটা না হলেই বরং অবিচার হতো। ওপেনিংয়ে নেমে একদম ইনিংসের শেষ পর্যন্ত তো একাই লড়লেন বার্নস।

একের পর এক ব্যাটসম্যানকে উইকেটে আসতে যেতে দেখেছেন, কিন্তু সেই মিছিলে নিজের নামটি জড়াননি।কিন্তু সেঞ্চুরিটা তো ভাগ্যেও থাকতে হয়। ইংল্যান্ড ইনিংসের ৯৩তম ওভারে কাইল জেমিসনের শেষ দুটি বল অ্যান্ডারসনকে যখন খেলতে দিয়েছিলেন, বুকটা কি ধুঁকপুক করছিল না ৯৮ রানে থাকা বার্নসের?

তবে অ্যান্ডারসন ভরসা দিলেন, ওভারের শেষ দুটি বলে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখলেন। পরের ওভারে স্ট্রাইকে গেলেন বার্নস, ওয়েগনারের প্রথম বলটিই এজ হয়েছিল। কিন্তু সেটা নিরাপদে চলে যায় থার্ডম্যানে, দৌড়ে দুই রান নিয়ে ফেলেন বার্নস, ছুঁয়ে ফেলেন তিন অংকের ম্যাজিক ফিগার। যেটি তার ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি, দলের এমনই কঠিন বিপদের সময়ে!

লড়াই এখানেই থামেনি। শেষ উইকেটে অ্যান্ডারসনকে নিয়েই ৯ ওভারের বেশি কাটিয়ে দেন বার্নস, যোগ করেন মূল্যবান ৫২টি রান। শেষ পর্যন্ত তার আউটেই থেমেছে ইংল্যান্ডের ইনিংসও। ২৯৭ বলে ১৬ চার আর ১ ছক্কায় ১৩২ রান করে টিম সাউদির শিকার হন বাঁহাতি এই ওপেনার।

ইংলিশ ইনিংসে এই বার্নস ছাড়া বলার মতো খুব বড় কিছু করতে পারেননি কেউ। জো রুট আর ওলি রবিনসনের ব্যাট থেকে আসে সমান ৪২ রান করে। ওলি পোপ করেন ২২।নিউজিল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল টিম সাউদি।

৪৩ রান খরচায় ৬টি উইকেট নিয়েছেন এই পেসার। ৩টি উইকেট শিকার আরেক পেসার কাইল জেমিসনের।লর্ডসে প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ড অলআউট হয়েছিল ৩৭৮ রানে। জবাবে ইংল্যান্ড করলো ২৭৫। অর্থাৎ প্রথম ইনিংসে ১০৩ রানে পিছিয়ে গেল স্বাগতিকরা।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*