শতভাগ নিশ্চিত আমরা বিশ্বকাপ জিতছি

ঝুলিতে পাঁচটি ওয়ানডে বিশ্বকাপের শিরোপা থাকলেও কখনোও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতা হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। ২০১০ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠলেও ইংল্যান্ডের কাছে হারায় শিরোপা ছুঁয়ে দেখা হয়নি অজিদের। বারবার খালি হাতে ফিরলেও এবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া চ্যাম্পিয়ন হবে বলে শতভাগ নিশ্চয়তা দিচ্ছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।

বরাবরের মতো এবারও বিশ্বকাপের জন্য দুর্দান্ত ক্রিকেটারদের রেখে দল সাজিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। আইসিসির বৈশ্বিক আসরটিতে দলে রয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার, অ্যারন ফিঞ্চ, মার্কাস স্টয়নিস, মিচেল মার্শ, মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্সদের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা। আসরের শুরু থেকেই যদি দলের দুই একজন উড়ন্ত ফর্মে থাকেন তবে অস্ট্রেলিয়াকে থামানো কঠিন হবে বলে দাবি করেন ম্যাক্সওয়েল।

তেমনটি হলে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপ জিতবে উল্লেখ করে এই অলরাউন্ডার বলেন, ‘শতভাগ নিশ্চয়তা দিচ্ছি আমরা এটি (বিশ্বকাপ) জিততে পারি। আমি মনে করি, আমাদের দারুণ একটি দল রয়েছে যাদের অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। দুই-একজন ক্রিকেটার যদি আসরের শুরু থেকেই সেরা ফর্মে থাকে তাহলে অস্ট্রেলিয়াকে থামানো কঠিন হবে।

বিশ্বকাপের আগে আরব আমিরাতের মাটিতে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে আইপিএলের বাকি অংশ। নানান কারণে আইপিএলের এই অংশ থেকে নাম সরিয়ে নিয়েছেন প্যাট কামিন্স, ঝাই রিচার্ডসন, রিলে মেরেডিথ, অ্যাডাম জাম্পারা। তবে এই অংশে খেলবেন অস্ট্রেলিয়ার আরো বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। এ কারণে আমিরাতের কন্ডিশনে মানিয়ে নিয়ে তারা বিশ্বমঞ্চে নিজেদের সেরাটা দিতে পারবেন বলে মনে করেন ম্যাক্সওয়েল।

মারকুটে এই ব্যাটসম্যান বলেন, ‘কয়েকজন না খেললেও…তারা (যারা আইপিএল খেলবেন) বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে এবং এতে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। আশা করি আমরা বিশ্বকাপে মাঠে নামতে পারব। আমি মনে করি যারা সেখানে উপস্থিত রয়েছে বিষয়টি ওদের এগিয়ে যাওয়ার জন্য সত্যিই ভালো সুযোগ।’

নিজেদের শেষ পাঁচটি টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারলেও মানসিকভাবে পিছিয়ে নেই অস্ট্রেলিয়া। যদিও আরব আমিরাতে প্রচণ্ড গরম থাকায় দলের জন্য একটু চ্যালেঞ্জ হবে বলে মনে করছেন ম্যাক্সওয়েল। সেখানে আইপিএল খেলায় কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে এক মাস সময় পাবে ক্রিকেটাররা।

বিষয়টি ক্রিকেটারদের জন্য বাড়তি সুযোগ উল্লেখ করে ম্যাক্সওয়েল বলেন, ‘সেই সুবিধাগুলো কাজে লাগিয়ে প্রশিক্ষণ নিতে ও মানিয়ে নিতে সহায়ক হবে। ওই সময়টা বেশ গরমের মধ্যে খেলতে হবে। যদিও সেখানে অতিরিক্ত একটি মাস কাটাতে পারায় আমি মনে করি বিষয়টি ছেলেদের জন্য সহায়ক হবে।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*