মেসিকে হুঙ্কার দিয়ে রাখলেন পোলিশ ডিফেন্ডার

চলতি কাতার বিশ্বকাপ একের পর এক অঘটনের জন্ম দিয়েছে। যার বড় উদাহরণ, নিজেদের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের কাছে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার অনাকাঙ্ক্ষিত পরাজয়। দ্বিতীয় ম্যাচে মেক্সিকোর বিপক্ষে জিতলেও লে আলবিসেলেস্তেদের সামনে নকআউট পর্বে যেতে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে। এজন্য আর্জেন্টিনার সামনে এখন গ্রুপের সবচেয়ে বড় বাধা ইউরোপিয়ান জায়ান্ট পোল্যান্ড।

বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) দোহার স্টেডিয়াম ৯৭৪’এ বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১ টায় পোল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচে জিতলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটের টিকিট পাবে আর্জেন্টিনা। ড্র করলেও শেষ ষোলোতে যাওয়ার সুযোগ থাকবে মেসিদের সামনে। তবে তখন অনেক হিসাব নিকাশের খপ্পড়ে পড়তে হবে আর্জেন্টিনাকে।

তবে আর্জেন্টিনার এমন সমীকরণের ম্যাচে অন্তত ড্র করলেই নকআউট নিশ্চিত হবে রবার্ট লেভানডফস্কির পোল্যান্ডের। আর জিতলে আর্জেন্টিনার বিদায়ঘণ্টা বেজে যাবে। এমন এক পরিস্থিতিতে আর্জেন্টিনাকে রুখে দেওয়ার মন্ত্র খুঁজছে পোল্যান্ড। তাই ম্যাচের আগের দিনই মেসিকে হুঙ্কার দিয়ে রাখলেন পোল্যান্ডের ডিফেন্ডার মেতুজ ভিতেজকা।

আর্জেন্টিনা দলের প্রাণভোমরা বলা হয় সময়ের সেরা তারকা মেসিকে। প্রতি ম্যাচে তাকে ঘিরেই দল সাজান কোচ লিওনেল স্কালোনি। তাই মেসিকে আটকাতে পারলেই যে আলবিসেলেস্তেদের রুখে দেওয়া সম্ভব সেটাই মনে করিয়ে দিলেন ভিতেজকা।

সোমবার (২৮) এক সংবাদ সম্মেলনে এসে পোলিশ এই ডিফেন্ডার রেকর্ড সাতবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা মেসির পায়ে এক সেকেন্ডও বল রাখতে না দেওয়ার দৃঢ় প্রতিজ্ঞার কথা জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, ‘তার (মেসির) খেলার ধরন সম্পর্কে আমরা জানি। কিন্তু আমরা এই ম্যাচে ভালো প্রস্তুতি নিয়েই নামবো। এই ম্যাচে আমাদের কাজই হবে মেসির পায়ে এক সেকেন্ডও বল রাখতে না দেয়া।’

এবারের বিশ্বকাপই মেসির ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ। ফলে পিএসজির এই তারকাও খুব করে চাইবেন, দলকে জয় এনে দিতে। তাই তাকে আটকানোর ছক আঁকলেও যে মেসি ছেড়ে কথা বলবেন না সেটাও ভালো করে জানেন ভিতেজকা। তবে মেসিকে বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় মনে করেন তিনি।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘কোন সন্দেহ নেই যে মেসি বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়৷ তার খুব কাছাকাছি আপনাকে থাকতে হবে এবং তাকে কোন জায়গা দেয়া যাবে না। সে এমন একজন খেলোয়াড় যে সবসময়ে সুযোগ তৈরি করতে থাকে। তাকে আটকানোর জন্য প্রতি মিনিটে আপনার নজর রাখতে হবে তার প্রতি।

Sharing is caring!