মনে হচ্ছিল জেলখানায় আছি : মিরাজ

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে বাংলাদেশ দল এখন দেশটির কঠোর করোনাবিধি মেনে চলছে। কিউইদের দেশে পা রেখে প্রথম তিন দিন পুরো সময় নিজ নিজ কক্ষে আবদ্ধ ছিলেন ক্রিকেটাররা। চতুর্থ দিন থেকে অবশ্য প্রতিদিন ৩০ মিনিট করে হাঁটাচলার সুযোগ পাচ্ছেন।

করোনাকালে এটিই বাংলাদেশের প্রথম বিদেশ সফর। ক্রিকেটারদের জন্য তাই অচেনা পরিবেশে আবদ্ধ থাকার এমন অভিজ্ঞতাও এই প্রথম। মেহেদী হাসান মিরাজ জানালেন, কেমন ছিল এই তিন দিনের অভিজ্ঞতা।নিউজিল্যান্ড থেকে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘বুঝতেই পারছেন কেমন লাগছে। এই প্রথম এরকম হোটেলের ভেতর পাঁচ দিন কাটিয়েছি।

প্রথম দিকে সময় কাটছিল না, বিরক্ত লাগছিল। প্রথম তিন দিন তো কারও সাথে দেখাসাক্ষাতই হয়নি। ফোনে ফোনে, ভিডিও কলে কথা হয়েছে, রুম টু রুম। যেহেতু পাঁচ দিন কেটে গেছে, সামনের তিন দিনও আশা করি এভাবেই কেটে যাবে।’ ৭২ ঘণ্টা পর মুক্ত বাতাসে যেতে পেরে যেন ঘোরের মধ্যে ছিলেন ক্রিকেটাররা। তার আগে মিরাজের মনে হয়েছে, জেলখানায় আছেন তিনি!

মিরাজের ভাষায়, ‘তিন দিন পর আধা ঘণ্টা করে বের হওয়ার সুযোগ পেয়েছি। প্রথম দিন বের হয়ে মাথা একটু ঘুরছিল। ১০-১৫ মিনিট পর ঠিক হয়ে গেছে। তিন দিন বন্দী ছিলাম, মনে হচ্ছিল জেলখানায় আছি। সারাদিন রুমে থাকতে তো ভালো লাগে না।

তিনটা দিন একই রুমে কাটানো- এটা আমাদের জন্য অস্বস্তিকর। বাইরের আবহাওয়া মানিয়ে নেওয়ার পর ভালো লেগেছে। রুমে গিয়ে ফ্রেশ মনে হয়েছে।’ ‘মাঠে যেতে পারলে ভালো লাগবে। কিছু জিম বা ওয়ার্কআউট করতে পারলে ভালো হত। সময়ও কেটে যেত, ফিটনেসও ভালো থাকত।’

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*