বিক্ষোভের মুখে যে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হলেন এরদোগান

তীব্র অসন্তোষ ও বিক্ষো’ভের মুখে নিজের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। তুরস্কের বোগাজিচি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর পদে মেলিহ বুলুকে নিয়োগ দিয়েছিলেন এরদোগান। এ নিয়োগের প্রতিবাদে বিক্ষো’ভ চলে আসছিল। গ্রে’ফতারও করা হয়েছে শখানেক বিক্ষো’ভকারীকে।

বিক্ষো’ভ ও অসন্তোষ দানা বাধায় সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হন তুরস্কের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী শাসক। কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই তুরস্কের বোগাজিচি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর পদ থেকে মেলিহ বুলুকে সরিয়ে দেন এরদোগান। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে প্রেসিডেন্সিয়াল ডিক্রি জারি করা হয়। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।

বুধবার উচ্চশিক্ষা কাউন্সিলের এক বৈঠক থেকে বুলুকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে তার সর্বশেষ ছয় মাসের নানা বিতর্কিত মন্তব্য এবং কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে তার পিএইচডি ডিগ্রি নিয়েও রয়েছে বিতর্ক। এ ছাড়া কাউন্সিলের সদস্যরা শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের প্রতিবাদের বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে নিয়েছেন।

উচ্চশিক্ষা কাউন্সিল জানিয়েছে, অধ্যাপক মেহমেত নাসি ইনসি নতুন কাউকে নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত রেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এর আগে জানুয়ারিতে রেক্টর হিসেবে নিয়োগ পান বুলু। ১৯৮০ সালের পর তিনিই প্রথম ব্যক্তি যাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে থেকে রেক্টর পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তার রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। বুলু ২০১৫ সালের সংসদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল এরদোগানের একে পার্টির হয়ে লড়েছিলেন। তার নিয়োগের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন। ৭ মাসের মাথায় এসে তাদের আন্দোলন সাফল্য পেল।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*