বাবর আজমের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে পাকিস্তানের রানপাহাড়

বাবর আজম রান করলে হাসে পাকিস্তান। আরও একবার সেটাই দেখা গেল। আগের দুই ওয়ানডেতে বড় রানের দেখা পাননি পাকিস্তান অধিনায়ক। দলের অবস্থাও ছিল যা তা। দুই ওয়ানডেতেই দুইশর আগে অলআউট হয় পাকিস্তান। এক ম্যাচ বাকি থাকতে ইংল্যান্ডের কাছে খুইয়ে বসে সিরিজও।

অবশেষে ‘মান বাঁচানোর লড়াইয়ে’ জ্বলে উঠলো বাবরের ব্যাট, পাকিস্তানও পেল বড় সংগ্রহ। বার্মিংহামে অধিনায়কের ক্যারিয়ারসেরা ১৫৮ রানের ইনিংসে ভর করে ৯ উইকেটে ৩৩১ রানের পাহাড় গড়েছে সফরকারিরা।টস হেরে ব্যাট করতে নেমে এবারও শুরুতে ধাক্কা খেয়েছিল পাকিস্তান।

ফাখর জামান ৬ রান করেই সাজঘরের পথ ধরেন, ২১ রানে প্রথম উইকেট হারায় দলটি।সেখান থেকে ইমাম উল হক আর বাবর আজম পাকিস্তানকে এগিয়ে নিয়েছেন। দ্বিতীয় উইকেটে ৯২ রানের জুটি গড়েন তারা। ইমাম কিছুটা ধীরগতির ব্যাটিং করলেও এই জুটিটি পাকিস্তানকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দিয়েছে।

৭৩ বলে ৭ বাউন্ডারিতে ৫৬ রান করে ফেরেন ইমাম। এরপর মোহাম্মদ রিজওয়ানকে নিয়ে ইনিংসের সবচেয়ে বড় জুটিটি গড়েন বাবর। এই যুগল ২০ ওভার একসঙ্গে থেকে যোগ করেন ১৭৯ রান। পাকিস্তানও চলে আসে তিনশর দ্বারপ্রান্তে।

৫৮ বলে ৪ চারের সাহায্যে ৭৪ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে রিজওয়ান যখন ফিরেছেন, পাকিস্তানের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ২৯২। এরপর অবশ্য দ্রুত রান তুলতে গিয়ে বেশ কয়েকটি উইকেট হারিয়েছে সফরকারিরা। ২৬ রানে শেষ ৬ উইকেটের পতন ঘটে পাকিস্তানের।

শোয়েব মাকসুদ (৫ বলে ৮), প্রমোশন পেয়ে ছয় নম্বরে আসা হাসান আলি (২ বলে ৪), ফাহিম আশরাফরা (৪ বলে ১০) ঝড় তুলতে গিয়ে দ্রুতই সাজঘরের পথ ধরেছেন। গোল্ডেন ডাকে ফেরেন শাদাব খান।তবে একটা প্রান্ত ধরে বাবর আজম দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন, দারুণ সব চোখ ধাঁধানো শটে।

পাকিস্তান অধিনায়কের ক্যারিয়ারসেরা ক্লাসিক্যাল ইনিংসটি শেষ পর্যন্ত থেমেছে ৪ বল বাকি থাকতে।১৩৯ বলে ১৪ বাউন্ডারি আর ৪ ছক্কায় ১৫৮ রান করে ব্রাইডন কারসের ডেলিভারিতে টপএজ হয়েছেন বাবর।

এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের ১৪তম সেঞ্চুরি।ইংল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল কারসেই। ডানহাতি এই পেসার ১০ ওভারে ৬১ রান খরচ করলেও নিয়েছেন ৫টি উইকেট। ৩ উইকেট সাকিব মাহমুদের।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*