বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ মাঠে গড়ানো নিয়ে শঙ্কা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শেষ আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি ম্যাচে আর কিছুক্ষণ পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামার কথা রয়েছে বাংলাদেশের। তবে ব্রিসবেনের আকাশে মেঘের ঘনঘটা। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। আর যে কারণে ম্যাচটি মাঠে গড়ানো নিয়ে শঙ্কা আছে। একই দিনে আফগানিস্তানের সঙ্গে পাকিস্তানের প্রস্তুতি ম্যাচও বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত হয়ে গেছে।

বিশ্বকাপের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে শোচনীয় হারের পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ম্যাচটিই নিজেদের ঝালিয়ে নেয়ার শেষ সুযোগ। সে লক্ষ্যেই বাংলাদেশ সময় বুধবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ২টায় মাঠে নামার কথা সাকিব বাহিনীর। তবে বেরসিক বৃষ্টিতে ভেস্তে যেতে পারে টাইগারদের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ।

শেষবারের মতো নিজেদের ঝালিয়ে নেয়া তো দূরের কথা, ব্যাটসম্যানদের বাজে পারফরম্যান্স দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টের। টপ অর্ডারের দুর্দশা যে কিছুতেই কাটছে না। ওপেনিংয়ে একের পর এক পরীক্ষা চালিয়েও মেলানো যাচ্ছে না কম্বিনেশন। মিরাজ-সাব্বিরকে দিয়ে চেষ্টা চালিয়ে শেষ পর্যন্ত সাব্বিরকে ছুড়ে ফেলতে হয়েছে। জায়গাটা পেয়ে এখনও খুব ভালো কিছু করে দেখাতে পারেননি স্ট্যান্ডবাই তালিকা থেকে চূড়ান্ত দলে ঢুকে পড়া সৌম্য সরকারও।

আশার কথা, আফগানদের বিপক্ষে না খেললেও এই ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা আছে লিটন দাসের। বিশ্বকাপের আগে আর কোনো ম্যাচ না থাকায় টিম কম্বিনেশন করতে এটাই শেষ সুযোগ বাংলাদেশের। তাই সম্ভাব্য সেরা একাদশ নিয়েই এই ম্যাচে বাংলাদেশ মাঠে নামবে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে, দক্ষিণ আফ্রিকা আছে ছন্দে। অফিশিয়াল প্রস্তুতি ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৯ উইকেটের বড় জয় তুলে নিয়েছে প্রোটিয়ারা। বিশ্বকাপের আগে ভারতের বিপক্ষে সিরিজ হারলেও ব্যাটে ছন্দ ছিল ব্যাটারদের। ডেভিড মিলার, কুইন্টন ডি কক, ডেভিড মিলার, এইডেন মার্করাম সবাই দারুণ ফর্মে। বোলিং শক্তিটাও টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা। সীমিত ওভারের ক্রিকেটের দুই কার্যকরী স্পিনার তাবরেইজ শামসি ও কেশব মহারাজ আছেন দারুণ ফর্মে।

দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য দুশ্চিন্তা বরং পেস ইউনিট নিয়েই। দারুণ সব পেসার থাকলেও বল হাতে রাবাদাদের ফর্মটা একটু খারাপই যাচ্ছে ইদানীং। আর সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তার জায়গাটা অধিনায়ক বাভুমাকে নিয়ে। ব্যাট হাতে যে লাগাতার ব্যর্থ হচ্ছেন তিনি। বিশ্বকাপের আগেই নিজেদের ফিরে পাবেন তারা, এমনটাই প্রত্যাশা প্রোটিয়াদের।

Sharing is caring!