বল খেয়ে রেকর্ডের পাতায় জিম্বাবুইয়ান ওপেনার

অভিষেক টেস্টেই তাকুজওয়ানাশে কাইতানো দেখিয়ে দিলেন, তিনি অন্য ধাঁচে গড়া। ক্যারিয়ারের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরিটাও পেয়ে যেতে পারতেন। যেমন খেলছিলেন, তাতে সেটা তার প্রাপ্যই ছিল। কিন্তু মেহেদি হাসান মিরাজ সেই স্বপ্নটা ভেঙে দেন জিম্বাবুইয়ান ওপেনারের।

১৩ রানের জন্য সেঞ্চুরিবঞ্চিত হন কাইতানো। তবে সেঞ্চুরি না পেলেও এই ওপেনার দেখিয়ে দিয়েছেন, টেস্ট খেলার জন্য যে টেম্পারমেন্ট দরকার, তা পুরোপুরিই আছে তার। প্রথম ইনিংসে ৮৭ রান করার পথে খেলেছিলেন ৫০ ওভারের বেশি (৩১১ বল)।

দ্বিতীয় ইনিংসে রান না পেলেও দলকে বাঁচাতে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন কাইতানো। মাত্র ৭ রান করতে তিনি মোকাবেলা করেছেন ১০২টি বল! ক্রিজে ছিলেন ১৪৬ মিনিট বা প্রায় আড়াই ঘণ্টা। জিম্বাবুয়ের জন্য এই টেস্ট জেতার চেয়ে বাঁচানোর চেষ্টা করাটাই বেশি জরুরি, কাইতানো বোধ হয় সেটাই ভাবছিলেন।

এত বল খেলে আবার রেকর্ডের পাতায় নাম উঠে গেছে জিম্বাবুইয়ান ওপেনারের। টেস্ট ইতিহাসে ১০০ বা তার বেশি বল মোকাবেলা করে সবচেয়ে কম স্ট্রাইকরেটে রান করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে চলে এসেছেন কাইতানো।

ইনিংসটিতে তার স্ট্রাইকরেট ছিল ৬.৮৭। টেস্ট ইতিহাসে ১০০ বা তার বেশি বল মোকাবেলা করে সবচেয়ে কম স্ট্রাইকরেটে রান করা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবার ওপরে জন থমাস মুরে। ১৯৬৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিডনি টেস্টে ১০০ বল খেলে অপরাজিত ৩ রান করেছিলেন ইংলিশ এই ব্যাটসম্যান।

স্ট্রাইকরেট ৩। দুই নম্বরে নিউজিল্যান্ডের নেইল ওয়েগনার। ২০১৮ সালে ক্রাইস্টচার্চে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১০৭ বলে ৭ রান করেন কিউই এই পেসার। স্ট্রাইকরেট ৬.৭৯। তার পরের অবস্থানটিই এখন কাইতানোর।

Sharing is caring!