ফুটবলের মতো আইপিএলেও ‘সুপার সাব’

আইপিএলে ম্যাচ চলাকালীন বদলি খেলোয়াড় নামানোর নিয়ম চালু করতে চায় বিসিসিআই।
ঘরোয়া ক্রিকেটে পরীক্ষামূলকভাবে চালুর পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

ফুটবল, রাগবি, বাস্কেটবল বা বেসবলের মতো খেলাগুলোর খোঁজ যারা রাখেন, তাদের কাছে ম্যাচ চলাকালীন বদলি খেলোয়াড় বা সুপার সাব বিষয়গুলো নতুন কিছু না। তবে ক্রিকেটে এই তত্ত্বের প্রচলন নেই বললেই চলে। যদিও ২০০৫ সালে ক্রিকেটেও বদলি খেলোয়াড় রীতি চালুর উদ্যোগ নিয়েছিল আইসিসি, তবে শেষ পর্যন্ত সেটি খুব একটা কার্যকর করতে পারেনি বিশ্ব ক্রিকেটর সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এদিকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আইপিএল দিয়ে আবারও সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্রিকেটে বদলি খেলোয়াড়ের নিয়ম চালু করতে চায়। বিসিসিআই অবশ্য ম্যাচ চলাকালীন ক্রিকেটার বদলানোর এই প্রক্রিয়াকে বলছে ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার।’

ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, ‘ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়মে টসের সময়ই প্রথম একাদশের পাশাপাশি আরও চারজনের নাম চূড়ান্ত করতে হবে। এই চারজন খেলোয়াড়ের মধ্যে পরবর্তীতে একজন হবেন ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার যিনি কিনা সেরা একাদশে থাকা খেলোয়াড়ের পরিবর্তে মাঠে নামতে পারবেন। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের ম্যাচে ইনিংসের ১৪তম ওভারের আগ পর্যন্ত যেকোনো ওভারের শেষে বদলি খেলোয়াড় নামানো যাবে। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দলের অধিনায়ক কিংবা হেড কোচকে মাঠের দুই আম্পায়ার অথবা চতুর্থ আম্পায়ারের অনুমতি নিতে হবে।

সব মিলিয়ে মোট ১১ জনই ব্যাটিং করতে পারেন।
তবে কোনো দল যদি তাদের ব্যাটিং নিয়ে সন্তুষ্ট থাকে, এরপর ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসেবে একজন বোলারকে খেলাতে পারবেন। আর বৃষ্টি বা অন্যকোনো কারণে যদি ইনিংসের দৈর্ঘ্য ১০ ওভার কিংবা এর চেয়ে নিচে নেমে আসে তাহলে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার কার্যকর হবে না।

এদিকে ২০০৫ সালে ওয়ানডে ফরম্যাটে বদলি খেলোয়াড় রীতি চালুর ঘোষণা দিয়েও কার্যকর করে তুলতে পারেনি আইসিসি। তাইতো নতুন এই নিয়ম বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বেশ সতর্ক বিসিসিআই। আইপিএলে ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার চালুর আগে ঘরোয়া ক্রিকেটে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবে ভারতীয় বোর্ড।

Sharing is caring!