প্রেমিকের বাড়িতে ১৪ দিন অবস্থানের পর সফল প্রেমিকা

পটুয়াখালীর দুমকীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থানের ১৪ দিন পর সফল হয়েছেন কলেজশিক্ষার্থী মনি আক্তার (১৯)।১ লাখ টাকা দেনমোহরে প্রেমিক মো. রিয়াজুল ইসলাম রাব্বি (২৬) সঙ্গে বিয়ে হয়েছে তার।শনিবার (২১ জানুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের পূর্ব জলিশা গ্রামে প্রেমিক রাব্বির বাড়িতে বিয়ে হলেও সোমবার (২২ জানুয়ারি) বিষয়টি জানাজানি হয় ।


আঙ্গারিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ গোলাম মর্তুজা জানান, ছেলে-মেয়ের অভিভাবকদের সম্মতিতে এ বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে।দুমকী থানার ওসি মো.আবদুস সালাম জানান, রাব্বি এবং মনির মধ্যে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শনিবার রাতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মধ্যস্থতায় তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৭ জানুয়ারী পাশ্ববর্তী বাকেরগঞ্জ উপজেলার মনি আক্তার বিয়ের দাবিতে আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের পূর্ব জলিশা গ্রামের মোঃ রিয়াজুল ইসলাম রাব্বি (২৬) বাড়িতে অবস্থান নেন। দীর্ঘ ১৪ দিন অবস্থানকালে প্রেমিক আত্মগোপনে ছিলেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপক প্রচার হওয়ায় মনিকে বিয়ে করতে বাধ্য হয় রাব্বি।


রিয়াজুল রাব্বি উপজেলার পূর্ব জলিশা গ্রামের মৃত. ইউনুস হাওলাদারের ছেলে এবং মনি আক্তার পাশ্ববর্তী বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুর গ্রামের সোহরাব হোসেনের মেয়ে। তাদের বিয়েতে ১ লাখ টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয়। গত ৭ জানুয়ারি স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে প্রেমিকের বাড়ির সামনে অবস্থান নেন মনি আক্তার।

উল্লেখ্য, গত পাঁচ বছর পূর্বে পার্শ্ববর্তী উপজেলার বাকেরগঞ্জ’র পাদ্রীশিপপুর গ্রামের সোহরাব হোসেন’ বড় মেয়ে মনি আক্তারের সাথে পরিচয় হয় রাব্বির। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে কিছুদিন আগে দুই পরিবারের মাঝে কথাও আগায়।



কিন্তু প্রেমের সম্পর্ক অস্বীকার করে মনিকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান রাব্বি। মনির সঙ্গে সকল ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন তিনি। পরবর্তীতে মনি আক্তার, রাব্বির গ্রামের বাড়িতে গত ৭ জানুয়ারি শনিবার বিকেল থেকে বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেন।

Sharing is caring!