নবজাতকের পা ধরে টেনে ছিড়ে আনল আয়া, মাথা মায়ের পেটে!

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে সন্তান প্রসবের সময় নবজাতকের পা ধরে টেনে ছি’ড়ে এ’নেছেন এক মোমেনা নামে এক আয়া। এসময় শিশুর মাথা থেকে যায় মায়ের পেটের মধ্যে। শনিবার রাতে আন্না (২৫) নামে এক গৃহবধূর সন্তান প্র’সবের সময় এ ঘ’টনাটি ঘটে। স্বজনদের অ’ভিযোগ, সন্তান প্র’সবের সময় সেখানে দায়িত্বরত সেবিকা ও চিকিৎসক কেউ উপস্থিত ছিলেন না।

ঘ’টনার পর ওই আয়া ওয়ার্ড থেকে পালিয়ে যান। কর্তৃপক্ষ বলছেন, গ’র্ভের নবজাতক মৃ’ত অ’বস্থায় ছিলো। যশোরের বেনাপোল পোর্ট থা’নার গাজীপুর গ্রামের ইয়াকুব আলীর স্ত্রী আন্না বেগমকে শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে প্র’সব কালিন ব্যাথা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার সকালে ওয়ার্ড ডা. তানজিলা আখতার একবার রোগীকে দেখে আল্ট্রাসনো করতে বলেন।

আল্ট্রাসনো রিপোর্টে ২০ সপ্তাহের বাচ্চার উপস্থিতি মেলে। তার ওজন ছিলো ৩৩৯ গ্রাম। চিকিৎসকের পরামর্শে জরায়ুর মুখ খোলার ওষুধ দেয়া হয়। যাতে করে মৃ’ত বা’চ্চাটি নরমালে প্র’সব হয়। শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে আন্নার গ’র্ভে থাকা ছেলের দুই পা বে’রিয়ে আসলে ওই ওয়ার্ডে দায়িত্বরত আয়া মোমেনা রোগী আন্নাকে ওটিতে নিয়ে যান।

চিকিৎসক সেবিকার অনুপস্থিতিতে আয়া মোমেনা নবজাতকের দুই পা ধরে টানাটানি করার সময় গলা থেকে ছিড়ে চলে আসে। বাকী অংশ অর্থাৎ মাথা গৃহবধূর পে’টের মধ্যে থেকে যায়। এরপর রোগীকে ফেলে ভয়ে তিনি পা’লিয়ে যান। রোগীর চিৎকারে স্বজনরা গিয়ে এই অবস্থা দেখে চেচামেচি শুরু করেন। তখন সেবিকারা গিয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য জানান।

আয়ার কান্ডে বাক শক্তি হারিয়ে ফেলেন আন্না ও তার পরিবারের লোকজন। যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আরিফ আহমেদ জানান, আয়ার বাড়াবাড়িতে এমনটা হয়েছে। চিকিৎসক সেবিকার অনুপস্থিতিতে তিনি এই কাজ করতে পারেন না। তিনি আরো জানান, গৃহবধূর পেটে নবজাতকটি আগেই মা’রা গিয়েছিলো। বিষয়টি ত’দন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে৷

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*