নতুন করে শাস্তির মুখে সাকিব

শুক্রবার মিরপুর শেরেবাংলা মাঠে অনুশীলনে আসেন সাকিব আল হাসান। মোহামেডান অধিনায়ক ও জাতীয় দলের সেরা অলরাউন্ডার নিজেকে ফর্মে ফেরাতে ঘাম ঝরান ব্যাটিং অনুশীলনে। তখন তার সঙ্গে ছিলেন সতীর্থ আসিফ আহমেত ও রুয়েল মিয়া। এছাড়াও বাইরে থেকে আসা দু’জন নেট বোলার।

জানা গেছে, তাদের সাকিবের অনুশীলনে নিয়ে যান বিসিবির টিম বয় নাসির। শুধু তাই নয়, মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ইনডোরে তার অনুশীলনের সময় হঠাৎ করেই দেখা যায় একজন বহিরাগতকে। যাকে দেখা যায় সাকিব ও নেট বোলারদের সঙ্গে সেলফি তুলতে। পরবর্তিতে সেই বহিরাগতকে ইনডোর থেকে বের কের দেয়া হয়।

তার দাবি তিনি এখানে এসেছেন টিম বয় নাসিরে সঙ্গে। এছাড়াও যে দু’জন নেট বোলার এসেছে তারা নাকি থাকেন বিসিবির একাডেমির ভবনে। বিষয়টি আপত দৃষ্টিতে সহজ মনে হলেও তা নয়। কারণ করোনাভাইরাসের কারণে বদলে গেছে পৃথিবী। এখন প্রতিটি ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ হচ্ছে বায়ো বাবল বা জৈব সুরক্ষা বলয়ের মধ্যে।

এবার ঢাকা প্রিমিয়ার লীগের ১২টি দলকে রাজধানীর ৪টি পাঁচ তারকা হোটেলে রাখা হয়েছে। বায়ো বাবল নিশ্চিত করতে রাখা হয়েছে শাস্তির ব্যবস্থাও। তাই সাকিবের সঙ্গে বাইরে থেকে আসা নেট বোলার ও সেলফি তুলতে যাওয়া বহিরাগত কোনভাবেই ইনডোরে প্রবেশ করতে পারে না। এতেই শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

এ বিষয়ে শনিবার সন্ধ্যায় সিসিডিএমের সদস্য সচিব আলী হোসেন দৈনিক মানবজমিনকে জানিয়েছিলেন, বায়ো বাবল যারা ভাঙেছে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হবে। পরবর্তিতে রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিষয়টি বিসিবি গুরুত্ব সহকারে নিয়ে তদন্ত করেছে। এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সেখানে সিসিডিএমের চেয়ারম্যান কাজী ইনাম আহমেদ বলেছেন, ‘এমন ঘটনায় আমরা হতাশ।

সিসিডিএম এবং বিসিবি বিষয়টি খুবই গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। নিয়ম ভেঙ্গে থাকলে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে তাদের। দল, ক্রিকেটার ও অফিসিয়ালদের নিরাপত্তা আমাদের কাছে সবার আগে। যদি কেউ জৈব সুরক্ষাবলয় ভাঙেন, তার জন্য শাস্তির বিধানও রাখা হয়েছে। শাস্তি হিসেবে জরিমানা, বহিষ্কার, এমনকি ক্লাবের পয়েন্ট কাটা যাওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*