ডমিঙ্গোর মোটিভেশন তাতিয়ে দিয়েছিল ক্রিকেটারদের

দৃষ্টিকটু সব ব্যর্থতায় রাসেল ডমিঙ্গোকে দাঁড়াতে হয়েছিল কাঠগড়ায়। জেগেছিল চাকরি হারানোর শঙ্কাও। নিজের দেশে শিষ্যদের নিয়ে পাড়ি জমানোর সময়টায় তাই প্রচুর চাপে ছিলেন ডমিঙ্গো। সেই ডমিঙ্গোর বিশ্বাসই বাংলাদেশ দলকে এনে দিয়েছে ইতিহাস গড়া সাফল্য।
ছবি
প্রোটিয়া-প্রাচুর্যের কোচিং স্টাফ নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রথমবারের মত ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। এবারের সফরের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে বাংলাদেশের কোনো জয় ছিল না। অধিনায়ক তামিম ইকবাল তাই জয়ের আশা করলেও সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখেননি শুরুতে।

তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ আফ্রিকায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জেতা অনেক চ্যালেঞ্জিং। শুধু আমাদের জন্য না, যেকোনো দলের জন্য। এটা খুব বিশেষ অর্জন। দেশ থেকে আসার সময় জয়ের বিশ্বাস ছিল। সিরিজ না হোক ম্যাচ জিততে পারব এই বিশ্বাস ছিল।’

তবে একজন রেখেছিলেন সিরিজ জয়ের বিশ্বাস, আর তিনি ডমিঙ্গো। দক্ষিণ আফ্রিকায় সিরিজ জেতা অসম্ভব নয়- এই বার্তায় শিষ্যদের তাতিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। সেই বিশ্বাস আরও বেড়ে যায় প্রথম ম্যাচ জিতে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর।

তামিম জানান, ‘কোচের প্রচণ্ড পরিমাণ বিশ্বাস ছিল যে এই সিরিজটা বাংলাদেশ জিতবে। সে এটা নিয়ে ক্রমাগত বলছিল। খেলোয়াড়দের ওপরও বিশ্বাস জাগানোর চেষ্টা করছিল। প্রথম ম্যাচ জয়ের পর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়ল, বুঝতে পারলাম সিরিজ জেতার সুবর্ণ সুযোগ আমাদের সামনে।’

সিনিয়রদের ক্ষেত্রে বড় প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে ডমিঙ্গোর বক্তব্য। তামিম বলেন, ‘কোচ একটা কথা বলল গত ম্যাচের আগে- আমরা এখানে অনেকেই আছি যারা ১০, ১২, ১৫ বছর ধরে খেলছি। এই সিরিজ জিততে পারলে এটা আমাদের ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় অর্জন হবে। এটাও একটা মোটিভেশন ছিল সবার।’

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*