ঝড়ো ফিফটি হাঁকিয়ে রান এ ফিরলেন সৌম্য

সৌম্য সরকার ও মুমিনুল হকের ব্যাটিংয়ে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জকে উড়িয়ে দিল গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন সৌম্য সরকার। রূপগঞ্জের বিপক্ষেও ব্যাট হাতে রানের দেখা পান মুমিনুল।
আগে ব্যাট করতে নেমে মাহমুদউল্লাহ, নাসুম, মেহেদীদের সামনে সুবিধা করতে পারেনি রূপগঞ্জের ব্যাটসম্যানরা। তাঁদের ইনিংস থামতে হয় দলীয় ১৩২ রানেই।

তারকাসমৃদ্ধ গাজী গ্রুপের কাছে লক্ষ্য তেমন বড় না হলেও শুরুতে ভালো কিছুর ইঙ্গিতই দেন সৌম্য ও শেখ মেহেদী। তবে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে সুবিধা করতে পারেননি মেহেদী। মোহাম্মদ শহীদের বলে বাউন্ডারি লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা নাঈমের হাতে ক্যাচ তুলে দেন ১৪ বলে ১৩ রান করা মেহেদী। অবশ্য তারপর থেকে ব্যাটিংয়ে খুব একটা সমস্যায় পড়তে হয়নি গাজী গ্রুপকে।

দুই পরীক্ষিত ক্রিকেটার, সৌম্য-মুমিনুল বেশ ভালোভাবেই সামাল রূপগঞ্জ বোলারদের। আগের ম্যাচেও ব্যাট হাতে রান পেয়েছিলেন মুমিনুল হক। দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে বড় জুটি গড়ে ম্যাচ জয়ে অবদান রাখেন তিনি। তবে এই ম্যাচটি ছিল সৌম্যর জন্য পরীক্ষার ম্যাচ। ব্যাট হাতে আগের তিনটিতে ব্যর্থ হলেই এই ম্যাচে বেশ সাবলীল ব্যাটিংটাই করেন তিনি।

সেই সাথে দেখা পান টুর্নামেন্টের প্রথম ফিফটিরও। ফিফটির পরপরই সাজঘরে ফিরেন সৌম্য। দলীয় ১০৩ রানে কাজী অনিকের বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেন সৌম্য। আউটের আগে চারটি চার এবং দুই ছয়ে ৪৫ বলে ৫৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। সৌম্যর সঙ্গে ৮২ রানের জুটি গড়া মুমিনুলও টিকতে পারলেন না। দলীয় দুই রান যোগ করতেই নাবিলের বলে ক্যাচ আউট হয়ে সাজঘরে ফিরেন তিনিও।

মুমিনুল খেলেন ২৭ বলে ৩৫ রানের ইনিংস। তবে তাঁরা পরপর ফিরলেও ম্যাচ জিততে তেমন একটা বেগ পোহাতে হয়নি গাজী গ্রুপকে। দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ও ইয়াসিরের ব্যাটে ১৩ বল বাকি থাকতে ৭ উইকেটের জয় তুলে নেয় গাজী গ্রুপ। ১২ বলে ১৫ রান করে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ এবং ১১ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন ইয়াসির আলী।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে মেহেদী মারুফের ২৪, সোহাগ গাজীর ২১ ও সাব্বির রহমানের ১৮ রানে সুবাধে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৩২ রান দাঁড় করায় লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জ। গাজী গ্রুপের হয়ে সবচেয়ে কম খরুচে বোলার ছিলেন নাসুম আহমেদ। চার ওভার বোলিং করে রান দিয়েছেন মাত্র ৯ যেখানে ডটই ছিল ১৩টি। এছাড়াও দুটি করে উইকেট পেয়েছিলেন মেহেদী, মাহমুদউল্লাহ ও মুগ্ধ।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*