ছাত্রদল নেতাকে ছাড়াতে থানায় যা করলেন রুমিন ফারহানা

ছাত্রদলের এক নেতাকে ছাড়াতে থানায় গিয়ে হুলস্থুল কাণ্ড ঘটিয়েছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। ওই নেতাকে ছাড়াতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সরাইল থানায় প্রায় আড়াই ঘণ্টা অবস্থান নিয়েছেন তিনি।


বিএনপির ওই নেত্রীর অনুরোধের পর পরিবারের লোকজনের জিম্মায় শনিবার রাতে ওই নেতাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। ছাড়া পাওয়া ছাত্রনেতার নাম মো. জুম্মান। তিনি উপজেলার শাহজাদাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক।

পুলিশ জানিয়েছে, চেকপোস্টে নিয়মিত তল্লাশির সময় জুম্মানসহ তিনজন তাদের সামনে পড়েন। এর মধ্যে দুজন দৌঁড়ে পালালে সন্দেহবশত জুম্মানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তাকে আটকের খবর পেয়ে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা থানায় এসে ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন।



ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা অভিযোগ করে বলেন, মূলত নেতাকর্মীদের হয়রানি করতেই এভাবেই আটক করা হচ্ছে। সব নেতাকে কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য আহ্বান জানান রুমিন।

জানা যায়, শনিবার(১৪ জানুয়ারি)সরাইল উপজেলায় নিজ নির্বাচনী এলাকায় আসেন রুমিন ফারহানা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের আশুগঞ্জ ও সরাইলে বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন। রুমিন ফারহানার সঙ্গে দেখা করার জন্য জুম্মান শাহজাদাপুরে যাওয়ার সময় শনিবার সন্ধ্যার দিকে পুলিশের হাতে আটক হন। পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায়। খবর পেয়ে রাত ৯টার দিকে থানায় ছুটে যান রুমিন ফারহানা।



রবিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে আশুগঞ্জের এক হোটেলে বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘কাল রাতে ছাত্রদলের এক নেতাকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। আমি থানায় গেছি। আমি বলেছি, যতক্ষণ ছাড়া না হয় তাহলে থানায় বসে থাকব। এরপর আড়াই ঘণ্টা বসে ছিলাম। এরপর পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়। এভাবে পাশে দাঁড়ালে পুলিশের শক্তি নাই আমাদের সাথে পারবে। নেতাদের বলবো, আপনারাও এভাবে কর্মীদের পাশে থাকুন।

Sharing is caring!