ছক্কা মেরে শখের ব্যাট ভাঙল তামিম

বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আজকের এই উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে আসতে যে কয়জন ক্রিকেটার সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তাঁর মধ্যে তামিম অন্যতম। এই পর্যন্ত অনেক রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন এই তারকা ক্রিকেটার। বুধবার (১৪ জুলাই) টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ২৯৬ রান জড়ো করে বাংলাদেশ।

তামিমের মারকুটে ব্যাটিংয়ে উদ্বোধনী জুটিতেই দল জড়ো করে ৮৭ রান। যদিও ৫২ বলে ২৫ রানের ধীরগতির ইনিংস খেলে বিদায় নেন নাঈম। দলীয় ১১০ রানে বিদায় ঘটে তামিমেরও। তার আগে ১১টি চার ও ১টি ছক্কায় ৬২ বলে ৬৬ রান করে দলকে এনে দেন বড় সংগ্রহের ভিত। ব্যাট হাতে এদিন সফল হতে পারেননি লিটন দাস।

৬ বলে ২ রান করে তিনি সাজঘরে ফিরলেও রানের দেখা পেয়েছেন সাকিব আল হাসান। ১টি বাউন্ডারি (ছক্কা) হাঁকানো সাকিব ৩৭ রান করতে অবশ্য মোকাবেলা করেছেন ৬০ বল। ব্যাট হাতে ছন্দে ছিলেন মোহাম্মদ মিঠুন ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ৫টি চার ও ১টি ছক্কায় মিঠুন ৪২ বলে ৩৯ রান করেন। মোসাদ্দেক রান তুলেছেন একশরও বেশি স্ট্রাইক রেটে।

৩০ বলে তিনি ৩৬ রান করেন ৩টি চার ও ২টি ছক্কায়। বাকিদের সুযোগ করে দিতে দুইজনই স্বেচ্ছায় অবসর নিয়ে মাঠ ছাড়েন। শেষদিকে আফিফ হোসেন ধ্রুব ২৩ বলে ২৮, নুরুল হাসান সোহানের ১২ বলে ১৮ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ১০ বলে ১২ রানের ইনিংসে তিনশর কাছাকাছি পৌঁছায় বাংলাদেশের ইনিংস।

জিম্বাবুয়ে একাদশের পক্ষে দুটি করে উইকেট শিকার করেন তানাকা চিভাঙ্গা, ওয়েসলে মাধেভেরে ও ফারাজ আকরাম। জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দলীয় ২৪ রানে দুই ওপেনার ওয়েসলে মাধেভেরে ও তাদিওয়ানাশে মারুমানিকে হারিয়ে ফেলে স্বাগতিক দল। তাদের সাজঘরে ফেরান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও শরিফুল ইসলাম।

এরপর মারকুটে ব্যাটিংয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন ডিওন মায়ার্স। বদলি ফিল্ডার হিসেবে মাঠে নেমে বল হাতে নামা এবাদত হোসেনের শিকার হয়ে তিনি সাজঘরে ফেরেন ব্যক্তিগত ৪২ রানে, যে ইনিংস খেলতে মোকাবেলা করেন ২৯ বল। পরের বলে এবাদত গোল্ডেন ডাকের স্বাদ দেন তিনাশে কামুনহুকামওয়েকে।

এরপর মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন আরও একটি ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত পরপর দুটি উইকেট শিকার করলে ম্যাচ কঠিন হয়ে যায় জিম্বাবুয়ের জন্য। সিকান্দার রাজা ৪০ বলে ২৪ রান করে ফিরলেও টিমিসেন মারুমার ৫৯ বলে অপরাজিত ৫৯ রানের ইনিংসে ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয় বাংলাদেশের বোলারদের।

শেষপর্যন্ত ৪০.১ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান জড়ো করে জিম্বাবুয়ে। ম্যাচ অফিসিয়াল ও দুই দলের অধিনায়ক এখানেই ম্যাচের ইতি মেনে নিলে ড্র ঘোষণা করা হয় প্রস্তুতি ম্যাচকে। ৩১ বলে ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন রিচমন্ড মুতুম্বামি। বাংলাদেশের পক্ষে সাইফউদ্দিন, এবাদত ও মোসাদ্দেক দুটি করে এবং শরিফুল একটি উইকেট শিকার করেন।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*