কাল থেকে ১৪ দিনের কঠোর বিধি-নিষেধ, খোলা থাকবে যেসব প্রতিষ্ঠান!

এবার লোক মুখে গুঞ্জন থাকলেও ঈদের সময়ের বিধি-নিষেধ শিথিলতার মেয়াদ আর বাড়ছে না বলে সাফ জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন। গতকাল বুধবার (২১ জুলাই) ঈদের দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি জানিয়েছেন, ২৩ জুলাই থেকে ১৪ দিনের বিধি-নিষেধ শুরু হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, বিধি-নিষেধ শিথিলতার মেয়াদ বাড়ছে না। ঈদের পরদিন বিধিনিষেধ শুরু হয়ে চলবে ৫ অগাস্ট পর্যন্ত। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ফরহাদ হোসেন বলেন, সরকার ঈদের আগে বিধি-নিষেধ শিথিল করায় সব শ্রেণির মানুষ সুন্দরভাবে ঈদ উদযাপন করতে পেরেছেন। পশুর হাটগুলোতে ভালোভাবে কোরবানির পশু কিনতে পেরেছেন।

যারা ঈদের আগে ঢাকা এসেছিলেন তারাও সুন্দর পরিবেশে ঈদের পরদিনের মধ্যে বাড়ি ফিরতে পারবেন। এরপর দিন ২৩ জুলাই থেকে বিধি-নিষেধ শুরু হবে। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই ১৪ দিন যদি আমরা বিধি-নিষেধ মানি তাহলে সংক্রমণের চেইনটা ভাঙতে পারবো। এজন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। সরকারের বিধিনিষেধ মানতে হবে।

ঈদের সময়ে যারা ঢাকা ছেড়েছেন তারা ঈদের পরদিনের মধ্যে ফিরতে না পারলে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। তিনি নিজেও ঢাকায় ঈদ করেছেন জানিয়ে বলেন, বিধি-নিষেধের সময় সব অফিস বন্ধ থাকবে। বিধিনিষেধ শেষে যেন তারা ঢাকায় ফিরে আসে।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আগামী ২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ দিয়েছে সরকার। কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই সময়ে সরকারি ও বেসরকারি অফিস, শিল্প কারখানাসহ সারাদেশে সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

ঈদের পরের ওই লকডাউনে শুধু নির্দিষ্ট কিছু শিল্প কারখানা খোলা রাখার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। তবে এ সময় যথারীতি যাবতীয় সরকারি ও বেসকারি অফিস গণপরিবহন ইত্যাদি সকল কিছু বন্ধ থাকবে। এমনকি এবারের লকডাউনে তৈরি পোশাক বা গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ রাখার কথাও জানিয়েছে সরকার।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আজ সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি করে এতে বলা হয়েছে, আগামী কঠোর লকডাউনে ভোজ্যতেল, চাল ও চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য উৎপাদনের কারখানা খোলা থাকবে। এ ছাড়া কঠোর বিধিনিষেধের আওতার বাইরে থাকবে কোরবানির পশুর চামড়া প্রক্রিয়াকরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম। একই সঙ্গে ওষুধ, অক্সিজেন ও কোভিড-১৯ প্রতিরোধে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্পও খোলা থাকবে।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*