কথা দিয়েও কথা রাখলো না বিসিবি

নিজেদের ন্যায্য দাবি আদায়য়ের লক্ষ্যে গত বছরের অক্টোবরে আন্দোলনে গিয়েছিল বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছে ১১টি দাবি জানায় সাকিব-তামিমরা। যেখানে একটি দাবি ছিল, বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে খেলোয়াড়দের সংখ্যা ৩০ জন হতে হবে।

মানে বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ৩০ জন ক্রিকেটারদের রাখতে হবে। ক্রিকেটারদের এই দাবি মেনে নেওয়া হবে বলেই জানিয়েছিল বিসিবি। কিন্তু কথা দিয়েও কথা রাখেনি বিসিবি। নতুন কেন্দ্রীয় চুক্তিতে মাত্র ১৬জন ক্রিকেটারদের রেখেছে বিসিবি।

কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়েন মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, ইমরুল কায়েস, রুবেল হোসেন, আবু হায়দার রনি, খালেদ আহমেদ এবং সাদমান ইসলাম। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে জায়গা পান নাজমুল হোসেন শান্ত, মোহাম্মদ মিঠুন, এবাদত হোসেন, আফিফ হোসেন ধ্রুব এবং নাঈম শেখ।

আরো পড়ুন: অনিশ্চিত এশিয়া বনাম বিশ্ব একাদশের ম্যাচ প্রাণঘাতী করোনা বেকাবু করে ফেলেছে পুরো বিশ্বকে। বিশ্বের বহু টুর্নামেন্ট বর্তমানে আয়োজিত হচ্ছে দর্শক শূন্য স্টেডিয়ামে। করোনার ভয়ে খেলোয়াড়রা একে অপরের সঙ্গে সৌজন্যমূলক করমর্দন পর্যন্ত করছেন না।

সম্প্রতি বাংলাদেশেও প্রবেশ করেছে ভাইরাসটি। এরফলে সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে বেশকিছু অনুষ্ঠান। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে এই মাসের ২১ ও ২২ তারিখ বিশ্ব একাদশ ও এশিয়া একাদশের মধ্যে যে দুইটি ম্যাচ আয়োজিত হওয়ার কথা ছিল, সেটিও এখন আশঙ্কার মুখে পড়েছে।

করোনা আতঙ্কে এখন দেশ-বিদেশে ভ্রমণ কঠোর নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। কয়েকটি রুটে ইতোমধ্যে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বাংলাদেশ বিমানের সকল ফ্লাইট আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।

মানুষ এখন ঘরের বাইরে সহজে বের হতে চাচ্ছে না৷ এসব কারণে বিদেশি খেলোয়াড়দের দেশে উড়িয়ে আনতে অনেক জটিলতায় পড়তে হবে। এতোকিছু ম্যানেজ করে ম্যাচ দুইটি আয়োজন করাটা বেশ কষ্টকরই বটে।

Sharing is caring!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *