এ দুজন করোনা রোগীর চেয়েও ভয়ংকর: আ’লীগ নেতার স্ট্যাটাস ভাইরাল!

পটুয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার দেয়া ক’টূক্তি’মূলক একটি স্ট্যাটাস ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। শুক্রবার বিকালে মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রয়াত আজাহার উদ্দিন মাস্টারের ছেলে সাবেক যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল আহম্মেদ ও বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তার নিজের ফেসবুক আইডি থেকে একটি স্ট্যাটাস দেন।

স্ট্যাটাসটি মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয় এবং অনেকেই এর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মু’ক্তিযো’দ্ধা কাজী আলমগীর ও সাধারণ সম্পাদক বীর মু’ক্তিযো’দ্ধা ভিপি আব্দুল মান্নানের ছবি যুক্ত করে স্ট্যাটাসটিতে লেখা হয়েছে- ‘আইলো দে দৌড় আওয়ামী লীগ। আগে আইছিল কমিটি নিয়া এবার আইবে করোনা লইয়া বাঁচতে হলে দৌড়। এ দুজন করোনা রুগীর চেয়েও ভ’য়ংক’র।’

এতে স্ট্যাটাসটি নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্র’তিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ফেসবুকে জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে কটূ’ক্তি করে দেয়া স্ট্যাটাসের সত্যতা স্বীকার করে সোহেল আহম্মেদ মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের বলেন, বর্তমানে মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগ। এতে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন না করে মনগড়া কমিটি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি মির্জাগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মো. আজাহার উদ্দিন মাস্টারের ছেলে। দুঃসময়ে আওয়ামী লীগের পাশে থেকেছি। বিএনপি জামায়াতের হাতে বারবার নি’র্যা’তিত হয়েছি অথচ বর্তমানে উপজেলা কমিটিতে আমাকে মূল্যায়ন করা হয়নি। জীবনে কোনো দিন আওয়ামী লীগ করেনি এমন লোককেও বর্তমান কমিটিতে স্থান দেয়া হয়েছে। এসব কারণে মনের ক্ষো’ভ থেকেই আমি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন জুয়েল বলেন, ‘স্ট্যাটাস দেয়া ওই নেতাকে দলীয়ভাবে শো’কজ নোটিশ দেয়া হবে।’ স্ট্যাটাস সম্পর্কে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মু’ক্তিযো’দ্ধা ভিপি আব্দুল মান্নান বলেন, স্ট্যাটাস দেয়া নেতার বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

নোটিশের উপযুক্ত জবাব দিতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, স্ট্যাটাসদানকারী সোহেল আহম্মেদ একজন নেশাখোর, তার বাবা একজন আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতা ছিলেন, তার প্রতি সম্মান রেখেই সোহেল আহমেদকে কমিটিতে স্থান দেয়া হয়েছে।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*