এবার বোর্ড পরিচালক হলেন ড্যারেন স্যামি

এবার উইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক হলেন সাবেক ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি। ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের নন-মেম্বার পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়াকে বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন সাবেক এই অলরাউন্ডার। স্থানীয়, আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ক্যারিবীয় ক্রিকেটের উন্নয়ন করতে মুখিয়ে তিনি।

এদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেও স্যামি এখনো খেলছেন ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট। তবে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের দুঃসময়ে আগামী ২ বছরের জন্য পরিচালক হিসেব নিয়োগ দেয়া হয়েছে তাকে।দেশের ক্রিকেটের দুঃসময়ে ২০১২ এবং ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপের ট্রফি উপহার দিয়েছেন ড্যারেন স্যামি।

টেস্ট ক্রিকেটে শনিবারই সেরা দিন: সৌরভ গাঙ্গুলী ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম কিংবদন্তি ক্রিকেটার ও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী ১৯৯৬ সালে লর্ডসে ১৩১ রান করেছিলেন। সম্প্রতি তা ভেঙে দিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের ডেভন কনওয়ে। নিজের অভিষেক টেস্টের স্মৃতি তুলে ধরে সৌরভ বলেছেন, ‘খুব বেশি ক্রিকেটার লর্ডসে টেস্ট অভিষেকের সুযোগ পায় না।

পয়েন্টে দাঁড়িয়ে ফিল্ডিং করার সময় বারবার ভরা গ্যালারির দিকে তাকাচ্ছিলাম। আমার কাছে ওটা পয়া মাঠ। যতবার খেলেছি, সাফল্য পেয়েছি। প্রথম বার লং রুমে হেঁটে অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। তাছাড়া, আমি যে দিন শতরান করেছিলাম, সেটা শনিবার ছিল। টেস্ট ক্রিকেটে শনিবারই সেরা দিন। ওই দিন কোনও আসন ফাঁকা থাকে না।’

এদিকে প্রথম বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, টেস্ট ক্রিকেটই সর্বশ্রেষ্ঠ ফরম্যাট। এখানে ভাল খেললেই মানুষের মনে সারা জীবনের মতো জায়গা করে নেওয়া যায়।

এ সময় সৌরভ বলেন, ‘যখন ছোটবেলায় আমরা টেস্ট ক্রিকেট খেলা শুরু করেছিলাম, তখন সেটাই ক্রিকেটের সেরা ফরম্যাট ছিল। এখনও সেটাই রয়েছে। তাই জন্যেই এটাকে টেস্ট ক্রিকেট বলা হয়। যদি কোনও ক্রিকেটার সফল হতে চায় এবং খেলাটায় নিজের ছাপ রেখে যেতে চায়, তাহলে টেস্ট ক্রিকেট সব থেকে বড় মঞ্চ। যারা টেস্টে বড় রান করে, মানুষ তাঁদের সারাজীবন মনে রাখে। যদি গত ৪০-৫০ বছরে ক্রিকেটের সবথেকে বড় নাম খুঁজতে চান, দেখবেন প্রত্যেকের টেস্টে ভাল পরিসংখ্যান রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ব্যাটিংয়ের সময় প্রতিটা শটের ক্ষেত্রে পিছনের গ্যালারি থেকে বিরাট চিৎকার হচ্ছিল। ঠিক চা-বিরতির আগে শতরান করি। মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম তখন। কারণ প্রথম শতরানের ওই আবেগ, খুশি ধরে রাখতে পারছিলাম না।’

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*