একসঙ্গে কোপা-ইউরোর ফাইনাল, দেখেনিন সময়

একদিকে ইউরোর ফাইনাল আর অন্যদিকে কোপা আমেরিকার ফাইনাল। লন্ডনে ইউরো। রিও ডি জেনেরিওতে কোপা। ফুটবল দর্শক আরও বেশি খোঁজ খবর নিতে শুরু করেছে। কবে কখন ফাইনাল। রবিবার সকালে ৬টায় কোপার ফাইনাল, এইদিন রাতে ১টায় ইউরোর ফাইনাল। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ব্লকবাস্টার ম্যাচের সৌরভ ছড়াতে শুরু করেছে।

কোপার খেলা নিয়ে এরই মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাতাহাতি মা’রামা’রি হয়ে হাসপাতাল, থানাপু’লিশ গড়িয়েছে। এই আকাশে দু-এক জায়গায় ব্রাজিল আর্জেন্টিনার পতাকাও উড়তে দেখা যাচ্ছে। ফাইনালের আগে মাঠের বাইরে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার মধ্যে হাইভোল্টেজ ম্যাচ নিয়ে কথার চালাচালি চলছে দুই টেন্টে। ফাইনালের প্রস্তুতি শুরু করেছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল।

মারাকানায় খেলা হবে। ১ লাখ দর্শক ধারণ ক্ষমতার স্টেডিয়াম ফাঁকা থাকবে। তবে খেলোয়াড়দের পরিবারের দুজন করে স্টেডিয়ামে খেলা দেখার সুযোগ পাবেন। এছাড়াও থাকবে কোপার সব উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা। সব মিলিয়ে প্রায় ৭০০ অতিথি। ফাইনালের রেফারিও নির্ধারণ হয়ে গেছে। উরুগুয়ের রেফারি এস্তেবান উস্তেজিস।

সেমিফাইনাল ম্যাচ ৯০ মিনিটে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট ছিল না। ফাইনালে সেটি থাকবে। যদি ৯০ মিনিটে রেজাল্ট না হয়। ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় দ্বিতীয় সেমিফাইনালে কলম্বিয়াকে হারিয়ে আর্জেন্টিনার মেসি বাহিনী চলে এসেছেন রিও ডি জেনেরিওতে এসেই। রিওতে, মারাকানায় ফাইনাল।

তাই আগেই এই শহরের মাঠে অনুশীলনে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন আর্জেন্টিনার অন্য ফুটবলাররা। কলম্বিয়ার বিপক্ষে মূল একাদশে যারা খেলেছেন তারা বিশ্রামে থাকলেও ম্যাচ জয়ের নায়ক গোলকিপার ইমালিয়ানো মা’র্টিনেজ মাঠে অনুশীলন করলেন। এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন এই মা’রাকানায় ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানির কাছে হেরেছিলেন।

সেই ক্ষত এখনো শুকায়নি। এবার স্বাগতিকদের বিপক্ষে ফাইনালে মর’ণ-কামড় দিতে প্রস্তুতি নিলেও কোচ লিওনের স্কালোনির দুশ্চিন্তা ডিফেন্ডার কিস্তিয়ান রোমেরো। অন্যদিকে ব্রাজিলের গ্ যাবরিয়েল জেসুসও খেলতে পারছেন না ম্যাচটা। আর্জেন্টিনা যখন রিওতে তখন নেইমাররা আছেন তেরেসোপোলিসে অনুশীলন মাঠে। তারা পরিকল্পনা করছেন কীভাবে আকুনা, মার্টিনেজ, ওতামেন্ডি, গঞ্জালেস, সেলসো পেজ্জিলা, মেসিদের আটকাবেন।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*