ঈদের জামাত ঈদগাহে হবে কি না জানালো ধর্ম মন্ত্রণালয়

দিন যত যাচ্ছে ততই ভয়ংকর হয়ে উঠছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস। লকডাউনে মানুষের বেপরোয়া চলাচলের কারণে দেশে করোয়া সংক্রমণ বাড়ছে। এখনই যদি করোনার লাগাম ধরে না রাখা যায় তবে ভবিষ্যতে দেশটি বড় বিপর্যয়ের মুখোমুখি হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

কোরবানির ঈদ সামনে রেখে চলমান লকডাউন শিথিল করেছে সরকার। তবে ঈদুল আজহার নামাজ স্বাস্থবিধি মেনে শর্তসাপেক্ষে ঈদগাহ, খোলা জায়গা ও মসজিদে আদায় করা যাবে।আজ মঙ্গলবার (১৩ জুলাই) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঈদে গ্রামে যাওয়া কর্মচারীদের ঢাকায় না আসার অনুরোধ আজ মঙ্গলবার ১৩ জুলাই চলমান বিধিনিষেধ আট দিনের (১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত) জন্য শিথিল এবং আরও ১৪ দিনের (২৩ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত) জন্য কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এদিকে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে আগামী ১৫ জুলাই থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবে সব ধরনের গণপরিবহন। একইসঙ্গে খুলবে দোকানপাট-শপিংমল, সেক্ষেত্রেও স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মানতে হবে। এর আগে চলমান লকডাউনে শপিংমল ও দোকানপাটে কাজ করা যেসব কর্মচারী ইতোমধ্যে ঢাকা থেকে গ্রামে চলে গেছে তাদেরকে ঢাকা না আসতে অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন।

গতকাল সোমবার (১২ জুলাই) দোকান খোলার প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি একটি গণমাধ্যমকে এসব কথা জানান। হেলাল উদ্দিন বলেন, আগামী ১৫ জুলাই থেকে সরকারি নির্দেশনা অনুসারে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শপিংমল ও দোকানপাট খোলা হবে। মাত্র চার থেকে পাঁচ দিনের জন্য আমরা দোকান খোলা রাখতে পারব।

তাই এমন অবস্থায় যেসব কর্মচারী ঢাকায় রয়েছে তাদের নিয়েই আমরা ব্যবসা পরিচালনা করতে চাই। তিনি বলেন, ঢাকার বাইরের কর্মচারীরা মাত্র কয়েকদিনের জন্য ঢাকায় আসলে আবার ঈদের ছুটিতে বাড়িতে যাবে। ফলে তাদের দুর্ভোগে পড়তে হবে। এজন্য যারা গ্রামের বাড়ি চলে গেছেন তাদেরকে নিজ নিজ জায়গায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদ উদযাপন করার আহবান জানান তিনি।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*