ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক সংকট আরও প্রকট হবে!

আগামীতে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংকট আরও প্রকট হবে বলে আ’শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। ইরানে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলছেন, পর’মাণু ইস্যুতে দ্বি’মত আর নি’ষেধাজ্ঞার কারণে সরাসরি প্রভাব পড়বে তেহরানের অর্থনীতিতে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন আলোচনা চাইলেও এক্ষেত্রে বাধা হবে ইসরায়েল। ইসরায়েলের প্রভাবে তেহরান-ওয়াশিংটন-তেল আবিব দ্বৈরথ সৃষ্টি হবে, যা নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রবাসীরাও।

ইরানে নতুন প্রেসিডেন্ট ক্ষমতায় আসার পর থেকেই আলোচনা চলছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে। কারণ পর’মাণু চুক্তি নিয়ে ইরানের সঙ্গে বিশ্বের ছয় শক্তির আলোচনাকে সমর্থন দিলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে কোনো ধরনের বৈঠকে বসবেন না বলে স্পষ্ট করেন ইরানের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি।

এমনকি ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর থেকে সব নিষে’ধাজ্ঞা তুলে নিলেও নয়। তবে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনার আভাস মিলেছে। কিন্তু এক্ষেত্রে বড় বাধা ইস’রা’য়েল এমনটাই বলছেন ইরান প্রবাসী বাংলাদেশি বিশ্লেষক সৈয়দ মুসা রেজা। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব তীব্রভাবে প্রত্যাখ্যান করায় এরই মধ্যে ইরানের বিরু’দ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিয়ে’ছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে ক্ষুব্ধ তেহরানও। এরই মধ্যে ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট নিয়ে বিশ্বকে সতর্ক করেছে ইস’রায়ে’ল।

আগামীতে এই অঞ্চলে আরও গভীর সংকটের আশ’ঙ্কা করছেন তিনি। ইরানে অর্থনৈতিক মন্দাও দেখা দিতে পারে । ইরানের পরমাণু কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে ২০১৫ সালে বিশ্বের ছয় শক্তিধর দেশ তাদের সঙ্গে একটি চুক্তিতে উপনীত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, তেহরান তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের লাগাম টেনে ধরবে। বিনিময়ে ধীরে ধীরে দেশটির ওপর থেকে নানা আন্তর্জাতিক নি’ষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।

তবে ২০১৮ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে ওই চুক্তি থেকে সরিয়ে নেন। বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইরানকে প’রমাণু চু’ক্তির সব শর্ত কঠোরভাবে অনুসরণের সাপেক্ষে ওই চুক্তিতে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেন, যা নিয়ে গত এপ্রিল থেকে ভেনিসে পরোক্ষ আলো’চনা চলছে। কিন্তু এরও কোনো ভবিষ্যৎ দেখছেন না বিশ্লেষকরা। কারণ আগামী ১৩ আগস্ট ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন ক’ট্ট’রপন্থি রাইসি।

Sharing is caring!