আসিফের ‘ক্যামিও’ ইনিংসে পাকিস্তানের টানা জয়

থামানো যাচ্ছে না পাকিস্তানকে (Pakistan)। ভারত, নিউজিল্যান্ডকে প্রথম দু’ম্যাচে হারানোর পরে শুক্রবার আফগানিস্তানকেও ৫ উইকেটে হারাল বাবর আজমের দল। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (ICC T20 World Cup) টানা তিনটি ম্যাচ জিতল পাকিস্তান। এদিন জেতায় মেগা টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল ইমরান খানের দেশ।

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান (Afghanistan)। আগের দু’টি ম্যাচের মতোই শুরুর দিকে পাক বোলাররা দাপট দেখান। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে আফগানিস্তান। তার ফলে রানের গতি বাড়েনি আফগানদের। ওপেনার জাজাই খাতা না খুলে ফিরে যান। আরেক ওপেনার শাহজাদ (৮) ব্যর্থ হন। ১৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে আফগানিস্তান তখন ধুঁকছে। আসগর আফগান (১০) ও গুরবাজও (১০) বড় রান পাননি।

দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে আফগানিস্তানের রান তখন ৩৯। করিম (১৫) ও জাদরান (২২) বড় রান করতে ব্যর্থ। ম্যাচটা এখান থেকেই ধরে নেন অধিনায়ক মহম্মদ নবি ও গুলবদিন নায়েব। সপ্তম উইকেটে দু’জনে ৭১ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। শেষ তিন ওভারে ৪৩ রান করেন নবি ও নায়েব। এই দু’ জনের জন্যই আফগানিস্তান ১৪৭ রান তুলতে সক্ষম হয়। শাহিন আফ্রিদি, হ্যারিস রউফ, হাসান আলি ও শাদাব খান একটি করে উইকেট নেন। ২টি উইকেট নেন ইমাদ ওয়াসিম।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি পাকিস্তানের। ভারতের বিরুদ্ধে দুরন্ত খেলা মহম্মদ রিজওয়ান ফিরে যান মাত্র ৮ রান করে। অধিনায়ক বাবর আজম ও ফকর জামান শুরুর আঘাত সামলে পাকিস্তানকে টেনে নিয়ে যাওয়ার কাজটা করেন। দু’জনে ৬৩ রানের পার্টনারশিপ গড়েন। ফকর জামানের (৩০) গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটি তুলে নেন নবি।

রশিদ খান তুলে নেন অভিজ্ঞ হাফিজের (১০) উইকেট। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে চাপের মুখে রুখে দাঁড়িয়ে পাকিস্তানকে জিতিয়েছিলেন শোয়েব মালিক ও আসিফ আলি। শোয়েব ও বাবর আজম ২৫ রান জোড়েন। অধিনায়ক বাবর আজম ৫১ রানের ইনিংস খেলেন।

রশিদ খানের বলে ঠকে যান পাক অধিনায়ক। ম্যাচ জিততে শেষ তিন ওভারে ২৬ রান তখন দরকার পাকিস্তানের। শোয়েব মালিককে (১৯) ফেরান নভীন উল হক। শেষ ২ ওভারে দরকার ছিল ২৪ রান। করিমের ১৯ তম ওভারে চারটি বিশাল ছক্কা হাঁকিয়ে পাকিস্তানকে জিতিয়ে দেন আসিফ আলি।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*