অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ সিরিজ নিয়ে সুখবর!

কোনো ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হলেও, বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ বাতিল হবে না। কারণ বায়োবাবলে থাকাকালীন কোনো ক্রিকেটার করোনা আক্রান্ত হলেও, ওই ক্রিকেটারকে কোনো প্রক্রিয়ায় আইসোলেশন রাখা হবে। তা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বিসিবি ও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার মাঝে।

এদিকে, হোটেল-ভেন্যু থেকে শুরু করে অনুশীলন মাঠ, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া শর্ত মেনে ইতোমধ্যেই সবকিছু প্রস্তুত রেখেছে ক্রিকেট বোর্ড। ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছেন বোর্ডের প্রধান নির্বাহী (সিইও) নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন।মহামারির পর থেকেই বায়োবাবল নিয়ে কড়াকড়ি চলছে বিশ্ব জুড়ে। তার মধ্যেও আক্রান্ত হচ্ছেন ক্রিকেটাররা।

এই তো ক’দিন আগেও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ চলাকালীন আক্রান্ত হয়েছিলেন উইন্ডিজ ক্রিকেটার। ভারত-লংকান চলমান সিরিজেও করোনা আক্রান্তের কারণে পিছিয়েছে ম্যাচের শিডিউল। সূচি পিছিয়ে হলেও সিরিজ সম্পন্ন করছে বোর্ডগুলো। সমঝোতার এই পথেই হাটতে চায় বিসিবি ও অস্ট্রেলিয়া। তাই অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটলেও সিরিজ বাতিল হওয়ার আশংকা নেই।

বিসিবি সিইও বলেন, মূল চ্যালেঞ্জটা হচ্ছে- যখন কোনো করোনা টেস্ট পজিটিভ আসবে, তখন কীভাবে সিরিজটা এগিয়ে নেওয়া যাবে, সেটা আমরা দুই বোর্ড মিলে আলোচনা করে কাজ করবো। পৃথিবী যখন সুস্থ ছিল, তখনও হোম অব ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়াকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পাওয়াটা ছিল দুষ্কর। অসাধ্যটা সাধন করতে কম কাঠখড় পোড়াতে হয়নি বিসিবিকে।

বিশ্বকাপের আগে অজিদের বিপক্ষে সিরিজটা খেলার ব্যয়বহুল সুযোগ হাতছাড়া করেনি বোর্ড। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া চাহিদা মেনে সবকিছু প্রস্তুত রেখেছে বিসিবি। নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেন, আমাদের ভেন্যু, হোটেল এবং অন্যান্য যে বিষয়গুলো আছে, এ বিষয়ে তাদের যে চাহিদা আছে, তারা সে তথ্য শেয়ার করছে, তার ভিত্তিতেই আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি।

তাদের মূল উদ্বেগটাই হচ্ছে, বায়ো বাবল নিশ্চিত করা। এছাড়া তাদের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা। অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ডের মতো বড় দলকে আতিথ্য দেওয়া এমনিতেই চ্যালেঞ্জিং। কোভিডের বায়োবাবলের কারণে চাপটা কি আরও বেড়েছে? ইমিগ্রেশনে জটিলতা এড়াতে কি ব্যবস্থা করেছে বোর্ড?

এ বিষয়ে নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেন, আমাদের কিন্তু সে অভিজ্ঞতাটা হয়ে গেছে যে চাহিদাগুলো কী এবং কী কী বিষয়গুলোতে সতর্কতা অবলম্বন করলে সফলভাবে ইভেন্টটা শেষ করা যাবে। তারা আমাদেরকে অনুরোধ করেছিলেন, ন্যূনতম যতটুকু সম্ভব পাবলিকলি যোগাযোগটা এড়িয়ে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়াটা সম্পাদন করা। আর আমরা সে ব্যবস্থাটাই করছি। ৩ দিনের কোয়ারেন্টাইনের পর আগামী রোববার (১ আগস্ট) মাঠের অনুশীলনে নামার কথা রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার।

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*