অবশেষে ধোনির মত ফিনিশার খুঁজে পেল বাংলাদেশ

২০২০ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতা বাংলাদেশ যুব দলের ক্রিকেটার শামিম হোসেন পাটোয়ারি ঘরোয়া ক্রিকেটে সুনাম কুড়ানোর পর ডাক পেয়েছেন জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে। তরুণ এই ক্রিকেটার টি-টোয়েন্টি দলে নিতে চান ফিনিশারের ভূমিকা।

২০ বছর বয়সী এই তরুণ ব্যাট হাতে মারকুটে ব্যাটিংয়ে পারদর্শী। সাধারণত লোয়ার মিডল অর্ডারে ব্যাট করে থাকেন, জাতীয় দলেও তাকে নেওয়া হয়েছে সেই বিবেচনায়ই। ক্ষিপ্র গতির ফিল্ডিং আর কার্যকরী বোলিং মিলিয়ে শামিম যেন পরিপূর্ণ এক ‘প্যাকেজ’।

তবে মাঠের খেলায় শামিম যতটা চনমনে, মাইক্রোফোনের সামনে ঠিক তার উল্টো। বিনয়ী আর স্বল্পভাষী শামিমের চোখে-মুখে মুগ্ধতা- এত দ্রুত জাতীয় দলে সুযোগ পাবেন তা তার ভাবনায়ই ছিল না।

জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শামিম বলেন, ‘অনুভূতি আসলে… বলার মত ভাষা নেই। জাতীয় দলে যেহেতু ডাক পেয়েছি আমি অনেক খুশি। ওরকমভাবে চিন্তা করা হয়। আমার লক্ষ্য ছিল ভালো করতে থাকি, ভালো করলে একটা সময় জাতীয় দলে অবশ্যই সুযোগ পাব। আমি মনে করি আমি অনেক ভাগ্যবান। আমার হাতে অনেক সময় আছে ভালো করার।’

শামিমের আগে জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী সেই দলের মাত্র একজন সদস্য- পেসার শরিফুল ইসলাম। সেই দলের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে ডাক পাওয়া শামিমের জন্য বিশাল খুশির খবর। দলে ডাক পাওয়ার খবরে যারপরনাই খুশি তার বাবা-মাও।

শামিম জানান, ‘বাবা-মা তো খুশি হওয়ারই কথা, উনাদের ছেলে জাতীয় দলে ডাক পেয়েছে। আমি জেনেছি স্যারদের কাছেই। শাহরিয়ার নাফীস ভাইয়ের কাছ থেকেও জেনেছি। আমি সবার আগে বাবা-মাকেই জানিয়েছি।

বোলিং আর ফিল্ডিং দিয়ে অবদান রাখতে চান শামিম, তবে মূল লক্ষ্য ঘরোয়া ক্রিকেট আর অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মত জাতীয় দলেও কার্যকরী ফিনিশার হয়ে ওঠা। তিনি বলেন, ‘আমি যেখানে ব্যাট করি… যদি দলে সুযোগ পাই, আমার কাজ থাকবে ফিনিশিং। বোলিং-ফিল্ডিং তো আছেই।’

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*