অদ্ভুত কারণে ফেসবুক-টুইটারে ফলোয়ার হারাচ্ছেন লঙ্কান ক্রিকেটাররা

জাতীয় দলের একের পর এক হতাশাজনক পারফরম্যান্সের কারণে প্রতিবাদের অভিনব এক পথ খুঁজে নিয়েছেন শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটপ্রেমীরা। ইংল্যান্ডের কাছে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ায় লঙ্কান অধিনায়কসহ তারকা খেলোয়াড়দের ফেসবুক-টুইটারে ‘আনফলো’ করে দিচ্ছেন ভক্ত-সমর্থকরা।

শনিবার রাতে মাত্র ৯১ রানে অলআউট হয়ে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি ৮৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে শ্রীলঙ্কা। অল্পের জন্য নিজেদের ইতিহাসের সর্বনিম্ন ৮২ রানে অলআউট হওয়ার লজ্জা এড়ালেও, হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পারেনি লঙ্কানরা। এর আগে প্রথম দুই ম্যাচে তারা ব্যাট হাতে দাঁড় করায় যথাক্রমে ১১১ ও ১২৯ রানের সংগ্রহ।

দুই ম্যাচেই হারায় ৭টি করে উইকেট। শেষ ম্যাচে আগে ব্যাট করে ইংল্যান্ড যেখানে ১৮০ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায়, সেখানে কোনোমতে অর্ধেক করতে পেরেছে সফরকারীরা। এমন হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর চুপ করে বসে থাকার পাত্র নয় লঙ্কান ক্রিকেটপ্রেমীরা।

তবে কোনো উগ্র পন্থা অবলম্বন না করে, জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘আনফলো’ বাটন চাপছেন। এই প্রতিবাদের নাম তারা দিয়েছেন ‘আনফলো ক্রিকেটার্স।’ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ‘আনফলো ক্রিকেটার্স’ হ্যাশট্যাগে এরই মধ্যে প্রায় আড়াই হাজার মানুষের পোস্ট জমা পড়েছে।

যেখানে নিজেদের জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সমালোচনায় মত্ত শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট ভক্ত-অনুরাগীরা। ক্রিকেটারদের নিয়ে বানানো হচ্ছে ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন। লঙ্কান সংবাদমাধ্যম নিউজসেন্টারের বরাত দিয়ে জনপ্রিয় সংবাদসংস্থা এএফপি জানাচ্ছে, রোববার দুপুর থেকে শুরু হয়েছে এই হ্যাশট্যাগ প্রতিবাদ।

যার মূল উদ্দেশ্য হলো বাজে পারফরম্যান্স করা ক্রিকেটারদের ফেসবুক, টুইটার ও ইন্সটাগ্রাম প্রোফাইল আনফলো করে দেয়া।আহমেদ ইনামুল হক নামক এক ব্যক্তি টুইটারে লিখেছেন, ‘এসব ব্যর্থ ক্রিকেটারদের আনফলো করে দিন। তাদেরকে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো গুরুত্ব দেবেন না।

কারণ তারা জাতীয় দলের হয়ে পারফর্ম করতে পারেনি। তারা এত বড় ফ্যানবেজের যোগ্য নয়।’ ক্রীড়া সাংবাদিক মানজুলা বাসনায়েকে তার টুইটারে লিখেছেন, ‘আমি ১৯৯৩ সাল থেকে ক্রিকেট খেলা অনুসরণ করছি। কিন্তু কখনও এর চেয়ে দুর্বল শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দলকে দেখিনি। তারা তো একটা বলও ঠিকঠাক মারতে পারে না।’

Sharing is caring!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*